Header Ads

ডিগ্রী পাস ও ফাজিল ছাত্র ছাত্রীদের উপবৃত্তির আবেদনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।




গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট এর অধীন উপবৃত্তি শাখা থেকে আজ একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে যেখানে বলা হয়েছে যে 2021 অর্থবছরের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট কর্তৃক 2017- 2018, 2018- 2019 এবং 2019 - ২০২০ শিক্ষাবর্ষে যারা অধ্যায়নরত রয়েছে ডিগ্রী পাস ফাজিল কোর্রসের অধীনে প্রথম বর্ষ দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বর্ষে শিক্ষারত ছাত্রছাত্রীরা উপবৃত্তি পাবেন শুধুমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত স্নাতক পর্যায়ের দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে উপবৃত্তির আবেদন করা যাচ্ছে আগামী 9-1-2020 তারিখ থেকে 10 ফেব্রুয়ারি 2020 তারিখের মধ্যে অবশ্যই আবেদন সম্পন্ন করতে হবে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের এবং কলেজ কর্তৃক আবেদনটি নতুনভাবে তালিকা তৈরি করে সিস্টেম ব্যবহার করে 28 2 2020 তারিখের মধ্যে করতে হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় উল্লেখ্য যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা কোন প্রয়োজন নেই প্রদান করা হলো


                            অনলাইনে আবেদন করুন।


দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুগ্রহ অভিপ্রায় অনুযায়ী 2012 সালে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট গঠন করা হয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আইন 2012 এর বিধান অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি বিদ্যমান আইনের আওতায় গঠিত সাত সদস্যবিশিষ্ট ট্রাস্টি বোর্ডে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী সভাপতি ট্রানস্ফার থেকে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে এতে করে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিনা বেতনে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীদের হারে শিক্ষার্থীদের হাতে অল্প সময়ে ঝামেলাহীনভাবে উপবৃত্তির অর্থ পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এই পদ্ধতিতে




 নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সুবিধাজনক সময় স্থান এবং পছন্দমত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংক হিসেবে উপবৃত্তির অর্থ প্রদান নিশ্চিত করা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা বৃদ্ধি ঝরেপড়া রোধ শিক্ষার প্রসার বাল্যবিবাহ রোধ নারী ক্ষমতায়ন ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন দারিদ্র বিমোচনের ট্রাস্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে শিক্ষার্থীকে ডিগ্রী পাস ফাজিল পর্যায়ের অনিয়মিত শিক্ষার্থী হতে হবে নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে করতে হবে এক্ষেত্রে আবশ্যিক বিষয় হিসেবে বাংলা ইংরেজি গণনা করা যেতে পারে উপবৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীর অভিভাবক এর বার্ষিক এক লক্ষ টাকার কম হতে হবে পিতা-মাতার মোট জমির পরিমাণ সিটি করপোরেশন এলাকায় বসবাসকারী 0.05% এবং অন্যান্য এলাকায় 0.75% থাকতে হবে।
                          অনলাইনে আবেদন করুন।










উপবৃত্তি কার্যক্রম অর্থের অভাবে শিক্ষার সুযোগ বঞ্চিত দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বৃত্তি প্রদানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 20 এপ্রিল 2010 খ্রিস্টাব্দ তারিখে একটি ট্রাস্ট ফান্ড গঠন গঠনের লক্ষ্যে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় লিখিত নির্দেশনা প্রদান করেন সংগঠনের সম্ভাব্যতা পরীক্ষা পূর্বক প্রয়োজনীয় সুপারিশমালা প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী কে আহবান করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক 14 সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয় এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ট্রাস্ট গঠন এবং বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নীতিমালা প্রণয়নের জন্য একটি উপকমিটি গঠন করা হয় মুখ্য সচিব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত 9 আগস্ট 2010 তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে আহ্বায়ক করে একটি উপকমিটি গঠন করা হয় এ বিষয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয় সভায় সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের 31 জানুয়ারী 2011 ট্রাস্ট গঠন সম্পর্কিত প্রতিবেদন নীতিমালা পরিকল্পনা কমিশনে পেশ করা হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী 2019 1996 এবং সচিবালয় নির্দেশনা অনুযায়ী অনুযায়ী ফান্ড সংক্রান্ত সেপ্টেম্বর 2011 খ্রিস্টাব্দ তারিখে মন্ত্রিসভায় নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আইন 2011 ডিসেম্বর 2011 খ্রিস্টাব্দ তারিখে মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে 11 মার্চ 2012 তারিখে নবম জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট বিল 2012 পাস হয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি 14 ই মার্চ 2012 খ্রিস্টাব্দ তারিখে সম্মতি জ্ঞাপন করেন এবং একই তারিখে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আইন 2012 বাংলাদেশ গেজেট অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে হিসেবে 1000 টাকা প্রদান করা হয়েছে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে এফডিআর হিসেবে প্রাপ্ত লভ্যাংশ দ্বারা ছাত্রছাত্রীদের উপবৃত্তি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে 2013 অর্থ বছরে শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হয় 2013 অর্থবছর থেকে ছাত্রীদের পাশাপাশি ছাত্রদেরকেও ভর্তি কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই প্রকল্পের মেয়াদ শেষে সকল উপবৃত্তি প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের স্থানান্তরিত হবে মর্মে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।







উদ্দেশ্যঃ
১/ ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির হার বৃদ্ধি 
২/ছোট পরিবার গঠনে উৎসাহ প্রদান 
এবং 
৩/প্রজনন হার নিয়ন্ত্রণ 
৪/চাকরির সুযোগ ও উপার্জন ক্ষমতা বৃদ্ধি।
৫/ দারিদ্র বিমোচন ও জেন্ডার সমতা অর্জন এবং 
৬/সামাজিক ও সংস্কৃতির উন্নয়ন




শিক্ষার্থী নির্বাচনের শর্তাবলীঃ
 (১)  প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান নদী ভাঙ্গন কবলিত পরিবারের সন্তান এবং দুস্থ পরিবারের সন্তান উপবৃত্তি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।
(২) ৩য় লিঞগে কোন শিক্ষার্থী থাকলে  এদের তালিকা পৃথকভাবে প্রেরণ করতে হবে।
(৩) শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের আয় ১০০০০০ টাকার  কম হতে হবে।
 (৪) সিটি করপোরেশন এলাকায় বসবাসকারী 0.5 শতাংশ পৌরসভা এলাকায় 0.20 শতাংশ এবং অন্যান্য এলাকায় 0.75% থাকতে হবে 45 সংশ্লিষ্ট এলাকার সিটি কর্পোরেশন পৌরসভার মেয়র কাউন্সিলর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান প্রদত্ত জমির পরিমাণ সম্পর্কিত সনদপত্র যুক্ত থাকতে হবে শিক্ষার্থীকে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী হতে হবে





 দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ক্ষেত্রে স্নাতক পর্যায়ে অভ্যন্তরীণ নির্বাচনী পরীক্ষায় নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে উত্তীর্ণ হতে হবে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার পর বিরতিহীনভাবে দ্বিতীয় বর্ষ তৃতীয় বর্ষ অধ্যায়ন করতে হবে এবং স্নাতক বা সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে উল্লেখ্য যে প্রথম দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বর্ষের কোন বর্ষে ভর্তি হলে পরিক্ষার্থী ও অনিয়মিত হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং এক্ষেত্রে বিবেচিত হবে না নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে শ্রেণিকক্ষে ক্লাস কমপক্ষে 75 পারসেন্ট থাকতে হবে এক্ষেত্রে অবশ্যই হিসেবে বাংলা ইংরেজি কাউন্ট করা যেতে পারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং তাদের অনুভূতি থাকতে হবে.












































No comments

Powered by Blogger.